স্ত্রীর লজ্জা*স্থান চো*ষা যাবে কি? স্ত্রীর লজ্জা*স্থানে মুখ দেওয়া যাবে কি? Can you see your wife's private pa-rts? স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা কি জায়েজ? কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামী বিধান

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে লজ্জাস্থানে চুম্বন ও স্পর্শ করতে পারবে কি ? 

লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়া যাবে কি ? 

স্বামী স্ত্রী একে অপরের লজ্জাস্থান দেখা ও ধরা জায়েজ কিনা? 

স্ত্রীর লজ্জা স্থানে মুখ দেয়া যাবে কি ! স্বামীর লিঙ্গ চোষা যাবে কি না! যোনি চুষা যাবে কি 

swami-strir-ghonishtota-islamic-bidhan

 স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতায় ইসলামী বিধান: লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়া, ওরাল সম্পর্ক ও কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আলোচনা 

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক একটি পবিত্র ও বৈধ সম্পর্ক। বিবাহের মাধ্যমে একজন পুরুষ ও একজন নারী পরস্পরের জন্য হালাল হয়ে যান। এই সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসা, মায়া, দায়িত্ব, সম্মান এবং পারস্পরিক অধিকার রয়েছে।

দাম্পত্য জীবন নিয়ে অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার কিছু বিষয় সম্পর্কে মানুষ জানতে চায়—কোন বিষয় বৈধ, কোন বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত এবং ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কী।

এই ধরনের বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য কুরআন, সুন্নাহ এবং ইসলামী ফিকহের মূলনীতি জানা প্রয়োজন। ইসলাম একদিকে যেমন বৈধ দাম্পত্য সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়েছে, অন্যদিকে শালীনতা, পরিচ্ছন্নতা ও সীমারেখা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।


কুরআনের আলোকে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই জীবনসঙ্গী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।"
(সূরা আর-রূম: ২১)

এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মূল উদ্দেশ্য হলো শান্তি, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সহযোগিতা।

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য বৈধ এবং তাদের মধ্যে ভালোবাসা প্রকাশ করা ইসলামে অনুমোদিত। তবে এই সম্পর্ক অবশ্যই আল্লাহর নির্ধারিত সীমার মধ্যে হতে হবে।


স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কে ইসলামের মূলনীতি

ইসলামী ফিকহের একটি মূলনীতি হলো—বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীর জন্য মূলত সব ধরনের বৈধ ঘনিষ্ঠতা অনুমোদিত, যতক্ষণ না কোনো বিষয় স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত্রস্বরূপ। অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা আগমন করো।"
(সূরা আল-বাকারা: ২২৩)

এই আয়াতের ব্যাখ্যায় আলেমগণ বলেছেন, স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইসলাম প্রশস্ততা দিয়েছে। তবে হারাম বিষয়, ক্ষতিকর বিষয় এবং অশালীনতা থেকে দূরে থাকতে হবে।


লজ্জাস্থান সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শরীরের বৈধ অংশ উপভোগ করতে পারেন। কারণ বিবাহের মাধ্যমে তারা একে অপরের জন্য হালাল হন।

ইসলামী আলেমদের অধিকাংশের মতে:

  • স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শরীর স্পর্শ করতে পারেন।

  • ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ করতে পারেন।

  • একে অপরের প্রতি আকর্ষণ প্রকাশ করা বৈধ।

তবে এই বিষয়গুলোতে পারস্পরিক সম্মতি, পরিচ্ছন্নতা এবং শালীনতা বজায় রাখা জরুরি।


লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়া সম্পর্কে আলেমদের মতামত

স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার কিছু পদ্ধতি নিয়ে ইসলামী আলেমদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। অধিকাংশ আলেমের মতে, যেসব বিষয়ে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহতে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা নেই, সেগুলোকে বৈধতার মূলনীতির আলোকে বিবেচনা করা হয়।

অনেক আলেম বলেছেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে এমন কিছু বিষয় বৈধ হতে পারে, যদি:

  • উভয়ের সম্মতি থাকে।

  • কোনো ক্ষতি না হয়।

  • অপবিত্র বা হারাম কোনো বস্তু জড়িত না থাকে।

  • ইসলামের শালীনতা বজায় থাকে।

অন্যদিকে কিছু আলেম এসব বিষয়ে অধিক সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ মুসলিমের উচিত লজ্জাশীলতা ও উত্তম চরিত্র বজায় রাখা।


পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব

স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলাম পবিত্রতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক।"
(সহিহ মুসলিম)

তাই দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও:

  • শরীর পরিষ্কার রাখা।

  • ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

  • একে অপরের আরাম ও স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা।

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


পারস্পরিক সম্মতি ও ভালোবাসা

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভালোবাসা ও সম্মানের ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত।

কোনো বিষয়ে:

  • একজনের অস্বস্তি থাকলে তা সম্মান করা উচিত।

  • জোর করা উচিত নয়।

  • একে অপরের অনুভূতি বোঝা উচিত।

কারণ ইসলাম দয়া ও উত্তম আচরণের শিক্ষা দেয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম।"
(তিরমিজি)


কোন বিষয়গুলো থেকে বিরত থাকা উচিত?

ইসলাম স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে বৈধ করেছে, তবে কিছু বিষয় স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করেছে।

যেমন:

১. মাসিক অবস্থায় সহবাস

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"আর তারা তোমাকে মাসিক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলো, তা কষ্টদায়ক বিষয়। তাই মাসিক অবস্থায় নারীদের থেকে বিরত থাকো এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছে যেও না।"
(সূরা আল-বাকারা: ২২২)

২. হারাম পদ্ধতি

যে কোনো কাজ যা ইসলামে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ বা ক্ষতিকর, তা থেকে বিরত থাকা জরুরি।


দাম্পত্য জীবনে ইসলামের শিক্ষা

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক শুধু শারীরিক নয়। একটি সুন্দর সংসারের জন্য প্রয়োজন:

  • ভালোবাসা

  • বিশ্বাস

  • সম্মান

  • ধৈর্য

  • ক্ষমাশীলতা

  • আল্লাহর ভয়

শুধু ঘনিষ্ঠতা নয়, বরং সুন্দর আচরণই একটি সুখী পরিবার তৈরি করে।


(পর্ব-২ এ থাকবে)

  • স্বামীর লিঙ্গ মুখে নেওয়া সম্পর্কে ইসলামী মতামত

  • স্ত্রীর লজ্জাস্থান সম্পর্কে আলেমদের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

  • কোন কাজগুলো হারাম ও কোনগুলো থেকে সতর্ক থাকা উচিত

  • সহবাসের ইসলামী আদব ও দোয়া

  • সুখী দাম্পত্য জীবন গঠনের কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা

নারী-পুরুষের যৌন চাহিদা: কারণ, গুরুত্ব ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

অনিয়মিত মাসিকঃ কারন, লক্ষণ, ঝুঁকি ও করণীয় 

মেয়েদের ছোট স্তন বড় করার কিছু উপায় জেনে নিন 

স্ত্রীর বুকের দুধ পান করা কি হারাম? এতে কি স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যায়? 

কনডম ব্যবহার করা ইসলামে শরিয়তে জায়েয আছে কি? 

টেস্টোস্টেরন বা যৌন হরমান বাড়াতে যে যে খাবার খাবেন 

স্ত্রীর স্তন চোষা কি স্বামীর জন্য জায়েজ? কুরআন ও সুন্নাহর ব্যাখ্যা 

স্ত্রীর লজ্জা*স্থান চো*ষা যাবে কি?  স্ত্রীর লজ্জা*স্থানে মুখ দেওয়া যাবে কি? 

বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীর যৌন মিলন বা সহবাসের নিয়ম 

স্বামী স্ত্রী দিনের বেলায় মিলন বা সহ*বাস করা কি জায়েজ? 

স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতায় ইসলামী বিধান: ওরাল সম্পর্ক, লজ্জাস্থান ও কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আলোচনা (পর্ব-২)

স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা: ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা

ইসলাম স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্ককে স্বাভাবিক ও সম্মানজনক বিষয় হিসেবে দেখেছে। বিবাহের মাধ্যমে স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের জন্য বৈধ হন এবং তাদের মধ্যে ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতা দাম্পত্য জীবনের একটি অংশ।

তবে ইসলামের শিক্ষা হলো—যেকোনো বৈধ সম্পর্কও যেন শালীনতা, পরিচ্ছন্নতা, পারস্পরিক সম্মতি এবং আল্লাহর ভয়কে সামনে রেখে পরিচালিত হয়।

স্ত্রীর লজ্জা স্থানে মুখ দেয়া যাবে কি

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মুখের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা সম্পর্কে ইসলামী মতামত

স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতার কিছু বিষয় নিয়ে ইসলামী ফকিহদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। অধিকাংশ আলেমের মূলনীতি হলো—যে বিষয়ে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহতে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা নেই এবং যা বৈধ দাম্পত্য সম্পর্কের অন্তর্ভুক্ত, তা মূলত অনুমোদিত হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে এ বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি:

  • উভয়ের সম্মতি থাকা প্রয়োজন।

  • কোনো পক্ষের ক্ষতি হওয়া যাবে না।

  • অপবিত্রতা বা নাপাক বস্তু গ্রহণের বিষয় এড়িয়ে চলতে হবে।

  • এটি যেন দাম্পত্য সম্পর্কের একমাত্র উদ্দেশ্য না হয়ে যায়।

ইসলামে দাম্পত্য জীবনের সৌন্দর্য হলো ভালোবাসা, দায়িত্ব ও পারস্পরিক যত্ন।


স্বামীর লজ্জাস্থান সম্পর্কে স্ত্রীর আচরণ

বিবাহিত স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য বৈধ। তাই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতার প্রকাশ ইসলামে অনুমোদিত।

তবে মুসলিমদের উচিত সবসময়:

  • শালীনতা বজায় রাখা।

  • পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা।

  • একে অপরের সম্মান বজায় রাখা।

ইসলাম দাম্পত্য সম্পর্ককে বৈধ করেছে, কিন্তু এটিকে অশালীনতা বা প্রদর্শনের বিষয় বানাতে নিষেধ করেছে।


স্ত্রীর লজ্জাস্থান সম্পর্কে স্বামীর আচরণ

স্বামী ও স্ত্রী একে অপরের শরীরের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করতে পারেন। এটি আল্লাহর দেওয়া স্বাভাবিক প্রবৃত্তির অংশ।

তবে দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে:

  • কোমলতা ও ভালোবাসা থাকা উচিত।

  • কোনো কষ্ট বা অপমান করা যাবে না।

  • একে অপরের পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান করতে হবে।

একজন উত্তম জীবনসঙ্গীর পরিচয় হলো—সে তার সঙ্গীর অনুভূতির মূল্য দেয়।


কোন বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ?

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

১. মাসিক অবস্থায় সহবাস

আল্লাহ তাআলা বলেন:

"তারা তোমাকে মাসিক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলো, তা কষ্টদায়ক। তাই মাসিক অবস্থায় নারীদের থেকে দূরে থাকো এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হয়ো না।"
(সূরা আল-বাকারা: ২২২)


২. পায়ুপথে যৌন সম্পর্ক

ইসলামী শরিয়তে পায়ুপথে যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ বলে অধিকাংশ আলেম মত দিয়েছেন।

কারণ ইসলাম স্বাভাবিক ও পবিত্র পদ্ধতিতে দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ দেয়।


৩. জোর-জবরদস্তি

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভালোবাসা ও দয়ার সম্পর্ক। তাই কোনো ধরনের জোর করা ইসলামের আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম।"
(তিরমিজি)


গোপনীয়তা রক্ষা করা

স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় গোপন রাখা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট মর্যাদার ব্যক্তি হবে সেই ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর তার গোপন বিষয় প্রকাশ করে।"
(সহিহ মুসলিম)

তাই স্বামী-স্ত্রীর উচিত নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয় অন্যের সঙ্গে আলোচনা না করা।


দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা বৃদ্ধির উপায়

একটি সুখী সংসার শুধু শারীরিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না। বরং প্রয়োজন:

১. সুন্দর ব্যবহার

কথাবার্তায় কোমলতা ও সম্মান রাখা।

২. একে অপরের যত্ন নেওয়া

অসুস্থতা, দুঃসময় ও সমস্যায় পাশে থাকা।

৩. বিশ্বাস বজায় রাখা

বিশ্বাস হলো দাম্পত্য জীবনের অন্যতম ভিত্তি।

৪. একসঙ্গে ইবাদত করা

আল্লাহর আনুগত্য পরিবারে শান্তি ও বরকত নিয়ে আসে।


সহবাসের ইসলামী আদব

ইসলাম দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সুন্দর আদব শিক্ষা দিয়েছে।

যেমন:

  • আল্লাহর নাম স্মরণ করা।

  • পরিচ্ছন্ন থাকা।

  • ভালোবাসা ও কোমলতা প্রদর্শন করা।

  • সঙ্গীর প্রতি সম্মান দেখানো।

  • ব্যক্তিগত বিষয় গোপন রাখা।


কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভালোবাসা, দয়া ও বৈধতার সম্পর্ক। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ রাখা হয়েছে, তবে তা হতে হবে শালীনতা, পরিচ্ছন্নতা, পারস্পরিক সম্মতি এবং আল্লাহর বিধানের সীমার মধ্যে।

দাম্পত্য জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য শুধু শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় নয়; বরং একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান, দায়িত্বশীলতা এবং উত্তম আচরণের মধ্যে নিহিত।

একজন ভালো স্বামী বা স্ত্রী সেই ব্যক্তি, যে তার জীবনসঙ্গীকে সম্মান করে, তার অনুভূতি বোঝে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী শান্তিময় ও বরকতময় দাম্পত্য জীবন দান করুন। আমিন।

অনিয়মিত মাসিক: কারণ, লক্ষণ, ঝুঁকি ও কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি

স্ত্রীর বুকের দুধ পান করা কি হারাম? এতে কি স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যায়?

নারী-পুরুষের যৌন চাহিদা: শারীরিক, মানসিক ও বৈবাহিক জীবনে এর গুরুত্ব

টেস্টোস্টেরন বা যৌন হরমোন বাড়াতে যে খাবার খাবেন। টেস্টোস্টেরন বাড়ানোর খাবার

যৌ*ন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যেসব খাবার: বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত খাদ্যাভ্যাস ও পূর্ণাঙ্গ গাইড

স্ত্রীর বুকের দুধ পান করা কি হারাম? এতে কি স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যায়?

স্বামী-স্ত্রী একজন আরেকজনের লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া কি জায়েজ আছে কি?

স্বামী স্ত্রী একজন আরেকজনের লজ্জাস্থান চুষতে পারবে কি?

স্ত্রীর লজ্জা*স্থান চো*ষা যাবে কি? স্ত্রীর লজ্জা*স্থানে মুখ দেওয়া যাবে কি?

স্ত্রীর দুধ পান করা যাবে কিনা? কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে

স্বামী স্ত্রীর যৌন মিলন বা সহবাসের নিয়ম

কনডম ব্যবহার করা কি ইসলামে জায়েয? কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে

কিছু ভন্ড হুজুর দের তালিকা | চিনে রাখুন। ভণ্ড ধর্মীয় বক্তা চেনার উপায়

কনডম ব্যবহার করা কি ইসলামে জায়েয? কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে

 

ইসলামী জ্ঞান, শিক্ষা ও সচেতনতার নির্ভরযোগ্য বাংলা প্ল্যাটফর্ম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

আমি জাইমা আরোহি। IslamiTune-এ আপনাকে আন্তরিক স্বাগতম।

লেখক: জাইমা আরোহি

IslamiTune একটি বাংলা ইসলামিক শিক্ষামূলক ও তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট। আমাদের লক্ষ্য হলো কুরআন, সহিহ সুন্নাহ এবং গ্রহণযোগ্য ইসলামী স্কলারদের ব্যাখ্যার আলোকে নির্ভরযোগ্য ইসলামিক জ্ঞান সহজ, সুন্দর ও বোধগম্য ভাষায় বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Zaima Arohi - IslamiTune Islamic Content Blogger

জাইমা আরোহি একজন বাংলা ইসলামিক কনটেন্ট ব্লগার। তিনি কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামিক জীবনধারা, ইসলামী শিক্ষা, নৈতিকতা, আমল এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বিষয় সহজ ও সুন্দর ভাষায় পাঠকদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

IslamiTune-এ প্রকাশিত ইসলামিক নিবন্ধগুলো আল-কুরআন, সহিহ হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য ইসলামিক উৎসের আলোকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করা হয়। আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে সঠিক ইসলামিক জ্ঞান ও জীবন গঠনের দিকনির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া।

জাইমা আরোহি সম্পর্কে আরও জানুন

Next Post Previous Post
1 Comments
  • Unknown
    Unknown August 30, 2020 at 6:43 AM

    ohhhkjhg

Add Comment
comment url