স্বামী স্ত্রী একে অপরের লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়া যায়েজ কি? স্বামী-স্ত্রীর লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া কি ইসলামে বৈধ? কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহের আলোকে
দাম্পত্য জীবন ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত এবং মানবজীবনের অন্যতম পবিত্র সম্পর্ক। আল্লাহ তাআলা বিবাহের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা, দয়া ও প্রশান্তি সৃষ্টি করেছেন। একই সঙ্গে ইসলাম দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ বিষয়গুলোকে ব্যক্তিগত ও মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে।
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নানা প্রশ্ন মানুষের মনে আসে। এর মধ্যে একটি বহুল আলোচিত প্রশ্ন হলো— স্বামী-স্ত্রী কি একজন আরেকজনের লজ্জাস্থান মুখে নিতে পারে? এ বিষয়ে ইসলামের বিধান কী? কুরআন ও সহিহ সুন্নাহ কী বলে? আলেমদের মধ্যে কেন মতভেদ রয়েছে?
এই প্রবন্ধে আবেগ বা ব্যক্তিগত মতামতের পরিবর্তে কুরআন, সহিহ হাদিস এবং নির্ভরযোগ্য ফিকহি সূত্রের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হবে।
স্বামী-স্ত্রী একজন আরেকজনের লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া কি ইসলামে বৈধ? কুরআন-সুন্নাহ ও ফিকহের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা
ইসলামে দাম্পত্য সম্পর্কের উদ্দেশ্য
ইসলামে বিবাহ কেবল শারীরিক চাহিদা পূরণের মাধ্যম নয়। এটি একটি ইবাদত, সামাজিক দায়িত্ব এবং চরিত্র রক্ষার উপায়।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
"আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে একটি হলো, তিনি তোমাদের মধ্য থেকেই তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।"
— সূরা আর-রূম, ৩০:২১
এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইসলামের দৃষ্টিতে দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত্তি হলো ভালোবাসা, সম্মান এবং পারস্পরিক সন্তুষ্টি।
কুরআনে দাম্পত্য সম্পর্কের সীমারেখা
আল্লাহ তাআলা বলেন,
"তারা তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।"
— সূরা আল-বাকারাহ, ২:১৮৭
এই আয়াতে স্বামী-স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা, পারস্পরিক আস্থা এবং গোপনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
আরেক স্থানে আল্লাহ বলেন,
"তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা আসো।"
— সূরা আল-বাকারাহ, ২:২২৩
মুফাসসিরগণ ব্যাখ্যা করেছেন, এই আয়াত দাম্পত্য সম্পর্কের বৈধতার ব্যাপকতা নির্দেশ করে। তবে এর অর্থ এই নয় যে শরিয়তে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ বিষয়গুলোও বৈধ হয়ে যায়।
আলোচ্য বিষয়ে কুরআনের অবস্থান
কুরআন মাজীদে এমন কোনো আয়াত নেই যেখানে স্বামী-স্ত্রীর লজ্জাস্থান মুখে নেওয়ার বিষয়ে সরাসরি অনুমতি বা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এ কারণে এ বিষয়ে ফিকহবিদরা কুরআনের সাধারণ নীতিমালা, সহিহ হাদিস এবং শরিয়তের উদ্দেশ্য (মাকাসিদুশ শরিয়াহ)-এর আলোকে মতামত প্রদান করেছেন।
অতএব, এ বিষয়টিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয় যেন কুরআনে এর স্পষ্ট হুকুম রয়েছে।
সহিহ হাদিসে কি স্পষ্ট কোনো দলিল আছে?
সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, জামে তিরমিজি, সুনানে নাসাঈ এবং সুনানে ইবন মাজাহ—এসব প্রধান হাদিস গ্রন্থে এমন কোনো সহিহ হাদিস পাওয়া যায় না, যেখানে এ বিষয়টি সরাসরি আলোচিত হয়েছে।
এ কারণে অনেক আলেম বলেছেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার সময় শরিয়তের সাধারণ নীতিগুলো বিবেচনা করতে হবে।
যেসব বিষয়ে ইসলামের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে
যদিও আলোচ্য বিষয়ে সরাসরি দলিল নেই, তবে দাম্পত্য জীবনের কিছু বিষয় কুরআন-সুন্নাহ দ্বারা স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ।
১. ঋতুকালীন সহবাস
আল্লাহ তাআলা বলেন,
"ঋতুস্রাব চলাকালে স্ত্রীদের থেকে বিরত থাকো এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের নিকটবর্তী হয়ো না।"
— সূরা আল-বাকারাহ, ২:২২২
এটি কুরআনের স্পষ্ট নির্দেশ।
২. পায়ুপথে সহবাস
এ বিষয়ে একাধিক হাদিসে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে এবং চার মাযহাবের আলেমগণ একমত যে এটি বৈধ নয়।
আলেমদের মধ্যে মতভেদ কেন?
ফিকহে একটি সুপরিচিত নীতি হলো—যেখানে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর সুস্পষ্ট বক্তব্য নেই, সেখানে আলেমরা ইজতিহাদ করেন।
এই বিষয়ে মতভেদের প্রধান কারণগুলো হলো—
সরাসরি কুরআনিক নির্দেশনার অনুপস্থিতি।
সহিহ হাদিসে স্পষ্ট বর্ণনা না থাকা।
শরিয়তের সাধারণ নীতির ভিন্ন ব্যাখ্যা।
পরিচ্ছন্নতা, শালীনতা ও সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে আলাদা মূল্যায়ন।
এ কারণে ইসলামের ইতিহাসে বিভিন্ন ফকিহ ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
অধিকাংশ সমসাময়িক ফিকহি আলোচনার সারসংক্ষেপ
সমসাময়িক বহু গবেষক উল্লেখ করেছেন যে—
এ বিষয়ে কুরআন বা সহিহ হাদিসে সুস্পষ্ট হারামের দলিল নেই।
তবে কোনো অপবিত্র বস্তু গ্রহণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি বা শরিয়তবিরোধী কাজ কখনোই বৈধ নয়।
একজন মুসলিমের জন্য শালীনতা, পরিচ্ছন্নতা ও পারস্পরিক সম্মান সর্বদা বজায় রাখা আবশ্যক।
এখানে লক্ষ্যণীয় যে, এটি একটি ফিকহি আলোচনা, আকিদার বিষয় নয়। তাই মতভেদ থাকলেও পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখা উচিত।
ইসলামে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব
রাসুলুল্লাহ ﷺ পরিচ্ছন্নতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। ইসলামের বহু বিধান—ওজু, গোসল, পবিত্রতা এবং নাপাক থেকে বেঁচে থাকা—পরিচ্ছন্নতার ওপর প্রতিষ্ঠিত।
দাম্পত্য জীবনেও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু ইসলামী শিষ্টাচারের অংশ নয়, বরং স্বাস্থ্য সুরক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
ব্যক্তিগত মতামতের পরিবর্তে প্রমাণ অনুসরণের গুরুত্ব
এ ধরনের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও বা অজ্ঞাত ওয়েবসাইটের বক্তব্যকে চূড়ান্ত মনে করা উচিত নয়।
বরং একজন মুসলিমের উচিত—
কুরআনকে প্রাধান্য দেওয়া।
সহিহ হাদিস অনুসরণ করা।
নির্ভরযোগ্য আলেম ও স্বীকৃত ফিকহি গ্রন্থের ব্যাখ্যা দেখা।
মতভেদের বিষয়কে মতভেদ হিসেবেই উপস্থাপন করা।
এতে দ্বীনের প্রতি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি এড়ানো যায়।
(চলবে — পার্ট–২)
নারী-পুরুষের যৌন চাহিদা: কারণ, গুরুত্ব ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ
অনিয়মিত মাসিকঃ কারন, লক্ষণ, ঝুঁকি ও করণীয়
মেয়েদের ছোট স্তন বড় করার কিছু উপায় জেনে নিন
স্ত্রীর বুকের দুধ পান করা কি হারাম? এতে কি স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যায়?
কনডম ব্যবহার করা ইসলামে শরিয়তে জায়েয আছে কি?
টেস্টোস্টেরন বা যৌন হরমান বাড়াতে যে যে খাবার খাবেন
স্ত্রীর স্তন চোষা কি স্বামীর জন্য জায়েজ? কুরআন ও সুন্নাহর ব্যাখ্যা
স্ত্রীর লজ্জা*স্থান চো*ষা যাবে কি? স্ত্রীর লজ্জা*স্থানে মুখ দেওয়া যাবে কি?
বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীর যৌন মিলন বা সহবাসের নিয়ম
স্বামী স্ত্রী দিনের বেলায় মিলন বা সহ*বাস করা কি জায়েজ?
আলেমদের মতামতের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
যেহেতু কুরআন ও সহিহ হাদিসে স্বামী-স্ত্রীর এ নির্দিষ্ট বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য নেই, তাই ইসলামী ফিকহবিদরা শরিয়তের সাধারণ নীতিমালা এবং অন্যান্য দলিলের আলোকে মতামত প্রদান করেছেন। এ কারণে এ বিষয়ে একাধিক মত পাওয়া যায়।
প্রথম মত: মূলনীতি বৈধতা, তবে শর্তসাপেক্ষ
একদল ফিকহবিদের মতে, স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অন্তরঙ্গ সম্পর্কের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো বৈধতা। অর্থাৎ, যে বিষয়কে কুরআন বা সহিহ সুন্নাহ স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেনি, তা বৈধতার মূলনীতির অধীনে বিবেচিত হতে পারে।
তবে তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত উল্লেখ করেছেন—
শরিয়তে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ কোনো কাজ করা যাবে না।
অপবিত্র (নাজিস) বস্তু গ্রহণ করা বৈধ নয়।
এমন কোনো আচরণ করা যাবে না যা স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কারণ হতে পারে।
উভয়ের পারস্পরিক সম্মতি ও সম্মান বজায় থাকতে হবে।
দাম্পত্য সম্পর্ক যেন শালীনতা ও ইসলামী নৈতিকতার সীমা অতিক্রম না করে।
দ্বিতীয় মত: মাকরূহ (অপছন্দনীয়)
আরেকদল আলেমের মতে, যদিও এ বিষয়ে সুস্পষ্ট হারামের দলিল নেই, তবুও এটি পরিহার করাই উত্তম।
তাদের যুক্তি হলো—
ইসলাম মুখ ও মানবদেহের মর্যাদাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতা রক্ষা করা মুসলিমের দায়িত্ব।
সন্দেহজনক বিষয়ে সতর্ক থাকা তাকওয়ার পরিচয়।
এই মত অনুসারে, কেউ যদি এ ধরনের বিষয় থেকে বিরত থাকে, তবে তা অধিক নিরাপদ ও উত্তম পথ হিসেবে বিবেচিত হবে।
তৃতীয় মত: কিছু আলেমের কঠোর অবস্থান
কিছু আলেম এ বিষয়টিকে বৈধ মনে করেননি এবং কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ মতের সমর্থনে কুরআন বা সহিহ হাদিসে এমন কোনো সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন দলিল নেই যা সরাসরি এই নির্দিষ্ট আচরণকে হারাম ঘোষণা করে। ফলে অধিকাংশ গবেষক এটিকে ইজতিহাদি মত হিসেবে উল্লেখ করেন, সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়।
মতভেদ থাকলে একজন মুসলিম কী করবেন?
ইসলামী শরিয়তে মতভেদের বিষয়গুলোতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি অনুসরণ করা উচিত—
কুরআন ও সহিহ সুন্নাহকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া।
নির্ভরযোগ্য ও যোগ্য আলেমের পরামর্শ গ্রহণ করা।
যে বিষয়ে অন্তরে সন্দেহ সৃষ্টি হয়, তা থেকে দূরে থাকা।
ভিন্ন মত পোষণকারী মুসলিমকে অকারণে গুনাহগার বা বিভ্রান্ত বলা থেকে বিরত থাকা।
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
"যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয় থেকে বেঁচে থাকে, সে তার দ্বীন ও সম্মানকে রক্ষা করে।"
— সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম
ইসলামের দৃষ্টিতে দাম্পত্য জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য
ইসলাম দাম্পত্য জীবনকে কেবল শারীরিক সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি। বরং পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া, সহযোগিতা, বিশ্বস্ততা এবং চরিত্রের উন্নতিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে।
একটি সফল দাম্পত্য জীবনের ভিত্তি হলো—
আল্লাহভীতি (তাকওয়া)
পারস্পরিক সম্মান
ভালো ব্যবহার
পরিচ্ছন্নতা
একে অপরের অধিকার আদায়
গোপনীয়তা রক্ষা
যখন এসব বিষয় প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন দাম্পত্য জীবন প্রকৃত অর্থেই শান্তিময় হয়ে ওঠে।
উপসংহার
স্বামী-স্ত্রীর লজ্জাস্থান মুখে নেওয়ার বিষয়ে কুরআন বা সহিহ হাদিসে সরাসরি কোনো সুস্পষ্ট বিধান পাওয়া যায় না। এ কারণে ইসলামী ফিকহবিদদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছে। কেউ বৈধতার মূলনীতি অনুসারে শর্তসাপেক্ষে অনুমোদনযোগ্য বলেছেন, কেউ মাকরূহ বলেছেন, আবার কেউ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
সুতরাং এ বিষয়কে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয় যে এটি সর্বসম্মতভাবে হালাল অথবা সর্বসম্মতভাবে হারাম। একজন মুসলিমের জন্য উত্তম হলো—কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করা, মতভেদের বিষয়গুলোতে সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনে বিশ্বস্ত আলেম বা মুফতির পরামর্শ গ্রহণ করা।
বিশ্বস্ত রেফারেন্স
পবিত্র কুরআন
সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৭
সূরা আল-বাকারাহ: ২২২
সূরা আল-বাকারাহ: ২২৩
সূরা আর-রূম: ২১
সহিহ বুখারি
সহিহ মুসলিম
ইমাম নববী (রহ.) — শারহু সহিহ মুসলিম
ইবনু কুদামাহ (রহ.) — আল-মুগনি
ইবনু হাজার আল-আসকালানী (রহ.) — ফাতহুল বারী
ড. ওয়াহবা আয-যুহাইলী — আল-ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু
ইসলামিক ফিকহ একাডেমির বিভিন্ন গবেষণাপত্র
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা (রেফারেন্স যাচাই করুন)
এই প্রবন্ধে আলোচিত ফিকহি মতামত বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য ইসলামী গ্রন্থের সারসংক্ষেপ। প্রকাশের আগে প্রতিটি উদ্ধৃতি, হাদিসের গ্রেড (সহিহ, হাসান বা দাঈফ), অধ্যায়, হাদিস নম্বর এবং আরবি মূল পাঠ অবশ্যই বিশ্বস্ত সূত্র থেকে যাচাই করে নিন। কোনো দুর্বল বা জাল হাদিসকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
লেখক: জাইমা আরোহি


